শরীরের ওজন কমানোর উপায়- Freshfox99
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছ ? আশা করি ভালো আছ। গত 4 সপ্তাহে আমি ওজন কমিয়েছি 4kg ওজন কমাতে আজকে আমরা জানি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করব। তাই বসেছি একটু বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য। প্রথম যে আমি কাজটা করেছিলাম সেটা হচ্ছে আমার লিকুইট ক্যালরি খাওয়া কমিয়ে দিয়েছিলাম তরল পানীয় সাথে আমরা যে খাবারগুলো খাই চা কফি তারপরে পেপসি বিভিন্ন ধরনের খাবার এগুলো সাধারণত আমরা খাবার হিসেবে চিন্তা করি না। কারন খেতে মজা লাগে খেলাম পেটে তেমন লাগে না। কিন্তু এগুলোতে কিন্তু ক্যালোরি থাকে অনেক। আমার যেটা হয়েছিল আমি চা কফি তেমন খাই না কিন্তু হাসপাতালে যে লম্বা শেষ থাকে তার মধ্যে হয়তো এক কাপ কফি খেয়ে ফেললাম তারপর আরেকটা যেটা আমি কাজ করতাম সারা দিন হাসপাতালে কাজ করার পরে বাসায় আসার আগে আমার হাসপাতালের ঠিকানা থেকে বাসায় আসার পথে একটা কফিশপ আছে সেখান থেকে একটা চকলেট কিনে নিতাম। বাসায় এসে অনেক কাজ করব হাসপাতালে এতক্ষণ অনেকক্ষণ কাজ করেছি। ওই হট চকলেট ছিল আমার নিজের জন্য একটা ট্রিট। এক কপি হচ্ছে খেলে আমার 200 এর বেশি ক্যালোরি শরীরে ঢুকে যেতে। ভালো লাগতো কিন্তু পেট ভরে নাই। আমি বাসায় এসে যতটুক খাবার খাওয়ার সবই পেতাম কিন্তু এই 200 ক্যালরি যদি আমি এই 200 ক্যালোরি খরচ করতে চাই তাহলে আমার দুই কিলোমিটারের বেশি দৌড়ানো লাগবে। সেটা আমি অত সহজে করব না যত সহজে আমি একা হট চকলেট খেয়ে নিচ্ছি। তো খুব কড়া নজর রাখলাম এই লিকুইড ক্যালোরি যাতে আমি খাওয়া কমিয়ে দিই।
এটা ছিল আমার প্রথম শ্রেণি দ্বিতীয় শ্রেণি হচ্ছে পানি খাওয়া। আমি প্রতিবার খাবার খাওয়ার আগে আধা লিটার পানি খেয়ে নিতাম। অর্থাৎ আমার কাছে একটা 500ml বোতল থাকতো খাবার খাওয়ার আগে আমি 500ml পানি খেয়ে তারপরে খাবার খেতাম। এটা করলে যেটা হয় অল্প খাবারে পেটটা ভরে যায়। একটা গবেষণাতে দেখা গেছে যে খাবার খাওয়ার আগে যদি পানি খেয়ে নেয়া হয় তাহলে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে আপনারা অনেকে হয়তো থাকতে পারেন যে খাবারের সাথে যদি পানি খায় তাহলে পেট থেকে যে হজমের রস বের হবে সেগুলো পাতলা হয়ে যেতে পারে। এ জন্য খাবার সাথে পানি খাওয়া যায় না। এই কথা কিন্তু আসলে কোন ভিত্তি নাই। একটু বলি আপনি বুঝতে পারবেন, আমরা ফল খাই শাক সবজি খাই এগুলোতে কিন্তু পানি থাকে, তারপর আমরা যে তরকারী খাই ভাতের সাথে সেগুলোতেও কিন্তু জলের মধ্যে অনেক পরিমাণে পানি থাকে সেটা খেলে তো আমাদের পাকস্থলী রস পাতলা হয়ে যায় না তাহলে আমি গ্লাসে করে যদি পানি খায় তাহলে আমার পাকস্থলীর রস কেন পাতলা হবে। এটা নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা করবেন না। আপনারা ভাত খাওয়ার আগে ভাত খাওয়ার সাথে পানি খেতে পারে আর ওজন কমানোর সময় চেষ্টা করে দেখতে পারেন যে ভাত খাওয়ার আগে যে কোন বেলায় খাবার খাওয়ার আগে একটু পেট ভরে পানি খেয়ে নিলে আঁধারের মতো পানি খেয়ে নিলে হয়তো আপনার কোন খাবারে পেট সহজে ভুলতে পারে। ব্রণ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
তৃতীয় নাম্বারটিতে আসি এটাও পেট ভরে রাখার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু অন্য উপকার আছে। আচ্ছা পেট ভরার কথা এতবার বলছি কারণ ওজন কমানোর জন্য পেটটা ভরে রাখা একটু গুরুত্বপূর্ণ। আমার যদি বারবার খিদা লাগে দুইবার খাওয়ার মাঝখানে খুব কষ্ট লাগছে থাকে তখন আমি কিন্তু বাসায় খুজতে থাকব যে কি খাবার খাওয়া যায়। আমি ওজন কমাতে চাচ্ছি আমার বাসায় তো অন্য মানুষ আছে তাদের জন্য খাবার আছে দেখা গেল আমিও বুঝে ফেললাম সেজন্য আমার যদি স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে আমার যতটুকু পরিমাণ খাবার খাওয়ার কথা সেটা কি আমার যদি পেট ভরা থাকে, তাহলে আমার ওজন কমানো সহজ হবে না। এই পেট ভরা রাখার জন্য একটা জিনিস হচ্ছে খুব গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে খাবারে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার থাকা। সেই জন্য আমি তিন নাম্বার যেটা করেছি সেটা হচ্ছে আমার চাল টা একদম স্ট্রাইক্টলি লাল চাল রাখা। আমি সাধারনত লাল চাল খাই কিন্তু বাসায় সাদা চাল থাকে বিভিন্ন কাজে লাগে বিরিয়ানি রান্না করলে একটু সাদা চাল দিয়ে বিরিয়ানি রান্না করা হয়, তারপর পায়রা ফেনীর জন্য সাদা চাল লাগে। আবার মাঝে মাঝে সময় বাঁচাতে সাদা চালের ভাত রান্না করি। সাদা চালের ভাত রান্না করতে 20 মিনিটের মত সময় লাগে সেখানে লাল চালের ভাত রান্না করতে আধা ঘন্টা 35 মিনিট সময় লাগে। তারপরেও খেতে ইচ্ছা করে সাদা চালের ভাত। সেইভাবে হচ্ছে সাদা চালের ভাত খাওয়া হয়ে যায়। কিন্তু ওজন কমানোর সময় আমি চেষ্টা করেছি শুধুমাত্র লাল চাল খাওয়ার জন্য। লাল চাল খাওয়ার অনেক ধরনের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারিতা আছে। ডায়াবেটিস এক্ষেত্রে হার্টের রোগের ক্ষেত্রে সেটা নিয়ে আমি আলাদা একটা ভিডিও করেছি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কেন গুরুত্বপূর্ণ।
একটু বলি,লাল চালে ফাইবার বেশি থাকে এটা আমাদের পেটে অনেকক্ষণ ধরে থাকে তবে অনেকক্ষণ ধরে থাকলে ক্ষুধা কম লাগে। আমার পেট ভরা থাকে আমি অন্য কিছু খাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করবো না আরেকটা বিষয় একটু কমপ্লিকেটেড সেটা হলো আমরা যখন যেকোনো খাবার খাই আর সেটা ভাঙতে শরীরের কিছু ক্যালোরি খরচ করতে হয়। এখন লাল চাল এখন আমরা খাচ্ছি সে যদি পাঁচ থাকে সেটা ভাঙতে বেশি ক্যালোরি খরচ করতে হয় তাহলে আমি যখন লাল চালের ভাত খাচ্ছি আমার মোট মিলিয়ে শরীরের ক্যালরি জমা পড়ছে কমলে লাল চালের ভাত। আমার ওজন কমাতে দুই ভাবে সাহায্য করেছে একটা হল পেটটা ভরে থেকেছে বেশিক্ষণ আমার ক্ষুধা কম লেগেছে আর হলো শরীরের ক্যালরি জমা পড়েছে। আমি যে শুধু লাল চালের ভাত খেয়েছি ওরকম না রুটি খেয়েছি রুটি ক্ষেত্রে লাল আটার রুটি খেয়েছি তারপর সকালের নাস্তায় বলবেন খেয়েছি ব্যাপারটা হলো আমরা জিম্মি ফাইন্ড গ্রীন খায় তার বদলে খুলবে ইনিংস খেলে সেটা ওজন কমাতে সাহায্য। করে আর এখানে একটু ছোট করে বলিনি লাল চাল বলতে আসলে লাল হতে হবে ওরকম না। এটাকে ব্রাউন রাইস বলা হয় ব্রাউন মানে হয় না। কিন্তু আমরা স্বাধারনত লাল চাল বলি। আমি এটা একটা ছবি দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব যাতে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হয় সেটা হচ্ছে আমি process বাদ দিয়ে দিয়েছিলাম তাই বললাম আমি সময় বাঁচানোর জন্য বাসায় রান্না না করে বাইরে থেকে রোদ থেকে খাবার এনে তারপরে খেতাম। এটা কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ভাল না। কেন ভালো না আর ওজন কমানোর জন্য কেন আরো ভালো না সেটা একটু বলি। আমরা যখন বাসায় রান্না করি তখন চেষ্টা করি ভালো জিনিসপত্র দিয়ে ভালো উপাদান দিয়ে খাবার রান্না করার। কিন্তু যখন রেষ্টুরেন্টে কেউ খাবার বানায় তাদের কাজ হচ্ছে খাবারটা কিভাবে মজা হয়। তারা হয়তো চিনি বেশি দিচ্ছে দিচ্ছে দিচ্ছে দিচ্ছে এরকম অনেক কিছু দিয়ে খাবারটা মজা করা হচ্ছে। তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য প্রসেসরগুলো আমার খুব হজম হয়ে যায় তাড়াতাড়ি দেখা যায় ক্যালোরি অনেক বেশি থাকে পুষ্টি কম থাকে। তো স্বাস্থ্যের জন্য যেমন সেই খাবারগুলো ভালো না আবার ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সেটা একদমই ভালো খাবার না। দেখা যায় যে আমরা মাঝে মাঝে অনেক প্রসেস ফুটে থাকে। যে হ্যাঁ এটা লোপাট দেখে মনে হবে আছে এটা বোধহয় স্বাস্থ্যের জন্য ভালো যদি ওই গুলি আপনি পিছনে নিউট্রিশন ইন্ডিয়ান সিস্টার দেখেন তখন দেখবেন হয়তো তাদের সুগার অনেক বেশি দিয়ে দিয়েছে প্রসেস ফুড সাধারণত যত্নে থাকে যতই বলুক এটা স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো করে তৈরি করা হয়েছে এটা খেলে এই হবে সেই হবে এই ভিটামিন পাবেন দেখা যায় যে ওই ভিটামিন এ অতটুকু আছে কিন্তু সাথে আরো অনেক কিছু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। জিনিস দেখাবার তাতে কি কি আছে তাই খুব সাবধানে প্রস্তুত খেতে হলে খুব ভালো করিন বাস্কেট করে খেতে হবে। আর পারতপক্ষে না খাওয়াই ভাল। ওজন কমানোর সময় তো একদমই না। এতক্ষণ বললাম কি খাইনি কি বাদ দিয়েছি এখন বলব কোন জিনিসটা বাদ দেয়নি বরং অনেক পরিমাণে বাড়িয়ে দিবেন, সেটা হল ফলমূল এবং শাকসবজি। ফলমূল শাকসবজি কথা বললে অনেকে বলেন যে এগুলো তো অনেক দাম বেশি এগুলো কেনা যায় না। এগুলো বেশি করে খাওয়া যায় না কিছু ফলমূলের হয়তো দাম বেশি কিন্তু শাকসবজি তো আমাদের দেশে অনেক পরিমাণে অনেক কম দামে পাওয়া যায়। তো আপনার চেষ্টা করবেন সতেজ শাক সবজি গুলো কিন্তু একদম ফ্রেশ শাক সবজি কিনতে এবং কেনার পরে ওই দিনই রান্না করে খেয়ে ফেলার চেষ্টা করবেন। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে এটা কেন গুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ হলো শাকসবজিতে ক্যালোরি খুব কম পরিমাণে থাকে 512 বেশি থাকে আর পুষ্টিগুণ তো আছেই। এগুলো মিলে আপনার পেট ভরা থাকবে অনেক অনেক পরিমাণে শাকসবজি খেতে পারবেন তারপরেও হচ্ছে ক্যালোরি খুব বেশি যাবেনা শরীরে আরো অনেক পুষ্টি পাওয়া যাবে। আমার ক্ষেত্রে এটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ আমি ওজন কমাতে গিয়ে আমার শরীরকে পুষ্টি থেকে বঞ্চিত করার একদমই পক্ষপাতী নই। আমি চাই শরীরে পুষ্টি দরকার। আমার হাটু আমার লাঞ্চ লিভার কিডনি রোগ প্রতিরোধে যা যা দরকার সব কিছুই পাবে। কোন অস্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে আমি ওজন কমাতে চাই না। সব ধরনের পুষ্টি আমার শরীর পাবে এবং আমার প্রডাক্টিভিটি অর্থাৎ আমার যতটুকু আমার কাজ করা লাগবে সেটা যাতে আমি করতে পারি। আমি ক্ষুধা পেটে একটু মাথা ঘুরাচ্ছে বমি ভাব হচ্ছে এরকম কোন পন্থায় আমি ওজন কমাতে চাই নি। আর চাকরি থেকে নিজস্ব পর্ণপুষি পেতে চান তখন একটু একটা জিনিস মাথায় রাখবেন আমরা বিভিন্ন শাক সবজিতে বিভিন্ন পুষ্টি থাকে। এখন খাওয়ার সময়ে কোনটাতে কতটুকু কি আছে সেটা তার মধ্যে পাওয়া যায় না একটা নিয়োগের ফলো করে সেটা হল বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন রঙের। যদি আপনি শাকসবজি খান একই রাতে একই ধরনের পুষ্টি আছে ওরকম আপনি যদি ভ্যারাইটি অফ শাকসবজি খান তাহলে সেখান থেকে আপনার শরীর দরকার শরীর সেটা পেয়ে যাবে শাকসবজির ক্ষেত্রে যেটা বলা হয় যে রংধনুর মত রঙ মিলিয়ে খাবার জন্য। আপনি যখন অনেক ধরনের শাকসবজি খাচ্ছে তখন আপনার শরীরে পুষ্টি দরকার সেটা পেয়ে যায়। রঙের মধ্যে ধরন লাল রঙের সবজিতে লাইকোপিন থাকে। যেমন টমেটো, টমেটো প্রচুর পরিমাণে লাইকোপিন থাকে। তারপরে হলুদ ও কমলা রঙের যে শাকসবজি ফলমূল গুলো আছে যেমন গাজর তারপরে অ্যাপসটি, আলু, আনারস, পেঁপে, এসবে থাকে বিটা ক্যারোটিন। বিটা ক্যারোটিন থেকে আমাদের ভিটামিন তৈরি করে। তারপরে আর কি রং আছে, আর হচ্ছে সবুজ রঙের শাকসবজি তাই আমরা বেশি বেশি করে চিনি। আমাদের যত ধরনের শাক কাছে পালংশাক, পুঁইশাক তারপরে পাতাকপির, ফলের মধ্যে আভোকাডো সেটা একটা সবুজ ফল। তারপরে রং এর মধ্যে আরো আছে হচ্ছে আপনারা নীল বেগুনি রং বেগুনি মধ্যে আমাদের বেগুন হচ্ছে বেগুনি সবজি। তারপরে সাদা এবং ফ্রিজে সবজি ফলমূল গুলো আছে তাদের মধ্যে ফুলকপি হচ্ছে সাদা শাড়ির মধ্যে খেজুর টা হচ্ছে একটা ঘড়ি ফল তো এরকম বিভিন্ন রঙের যদি আপনি ফলমূল ও শাকসবজি খেতে পারেন। তাহলে আপনার শরীরের যত ধরনের পুষ্টি দরকার সবকিছু কিন্তু শরীর নিয়ে নেবে। আমরা যদি একই ধরনের ফল শাক সবজি খান তাহলে আপনার শরীরে সব ধরনের পুষ্টি অভাব পূরন হবে না। এতক্ষন শুধু খাবারের কথা বলেছি। এখন যেটা বলব সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হচ্ছে নিয়মিত শরীরচর্চা। প্রতিদিন আপনাকে সকালে বা বিকেলে নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে। এইভাবে যদি আপনি কয়েক মাস নিয়ম মেনে চলতে পারেন তাহলে আপনার শরীরের ওজন অনেক কমে যাবে।
