হাড় ক্ষয় রোধের উপায়।
কারণসমূহ: • দেহে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে।• দেহে ভিটামিন ডি এর অভাব হলে।• মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন এবং ছেলেদের টেস্টোস্টেরন হরমোনের পরিমাণ কমে যাওয়া।• নিয়মিত ব্যায়াম না করলে হাড়ের ঘনত্ব ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ফলে এর ঝুঁকি বেড়ে যায়।• ধূমপান করলে পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমে এবং হাড় ক্ষয় ত্বরান্বিত করে।• বয়স বেড়ে যাওয়া।• অতিরিক্ত পরিমাণে থাইরয়েড হরমোন অস্টিপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
উপসর্গ
প্রথমত, কোনো শারীরিক লক্ষণ না-ও থাকতে পারে। কোমরে বা পিঠে বা অন্য কোথাও ব্যথা, বিশেষ করে তা ব্যথানাশকে কমছে না, এমন চরিত্রের। কারও কারও দৈহিক উচ্চতা কমে থাকবে, কুঁজো হয়ে যাওয়া বা সামনে ঝুঁকে থাকা। তবে সংগোপনে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে মারাত্মক ব্যাপার হলো, মেরুদণ্ডে ফাটল বা চিড় ধরা এবং ঠুনকো আঘাতেই হাড় ভাঙা।
জীবনধারাবিষয়ক বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে খাবারগুলোর কথা।
১. দই
দই ভিটামিন-ডি’র ভালো উৎস। প্রতিদিন এক কাপ দই শরীরের ক্যালসিয়ামের চাহিদার অনেকটাই পূরণ করে; হাড়কে শক্তিশালী করে। নিয়মিত দই খেলে অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ হয়।
২. দুধ
ক্যালসিয়ামের একটি চমৎকার উৎস দুধ। নিয়মিত দুধ খেলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। দুধ খেলে শরীরে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনের চাহিদার অনেকটাই পূরণ হয়।
৩. কাঠবাদাম
প্রতিদিন আধা কাপ কাঠবাদাম খেলে দৈনিক ক্যালসিয়ামের ১৮ ভাগ পূরণ করে। এটি কেবল হাড় মজবুতই করে না, এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং হার্টকে ভালোও রাখে।
৪. ব্রকলি
ব্রকলির মধ্যে উচ্চ পরিমাণ ভিটামিন-কে ও ক্যালসিয়াম রয়েছে। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ব্রকলি রাখলে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ করা যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
৫. কমলার রস
কমলার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-সি। এতে হাড় শক্তিশালী করার উপাদান ক্যালসিয়ামও রয়েছে। এটি হাড়ের গঠনে কাজ করে। দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদার ৬ ভাগ পূরণ করতে পারে একটি কমলা।

