ইউটিউব থেকে মনিটাইজেশন ছাড়া আয় করার উপায়।

ইউটিউব থেকে মনিটাইজেশন ছাড়া আয় করার উপায়। 



এমন অনেকেই আছে যাদের হিউজ পরিমান সাবস্ক্রাইবার হিউজ পরিমান এভেরিওয়্যার তাদের চ্যানেল এখনো পর্যন্ত মনিটাইজেশন এনাবেল হয়নি। অর্থাৎ ইউটিউব থেকে এখনো পর্যন্ত ইনকাম শুরু করিনি। আবার অনেকে আছে যাদের চ্যানেল মনিটাইজ তাদের ইনকাম খুবই সীমিত। অর্থাৎ তারা শুধুমাত্র গুগল এডসেন্স এর অপেক্ষায় বসে আছে কবে 100 ডলার হবে দেন তারা টাকা উইথড্র করবে। তো আজকে আমি এমন পাঁচ-ছয়টা টিপস আপনাকে দেবো যেটা দিয়ে আপনার শুধুমাত্র একটা চ্যানেল থাকলে আপনার কিছু ভিউয়ার্স এবং কিছু সাবস্ক্রাইবার থাকলে সেখান থেকে আপনি হিউজ পরিমান ইনকাম করতে পারবেন। আপনি কি জানেন যে ইউটিউব এডসেন্স এর ইনকাম খুবই কম। ব্লগিং আছে সেগুলো থেকে ইউটিউব এডসেন্স এর ইনকাম টা অনেক কম। তো চলুন আমরা  মাঝখানে গুলো নিয়ে আলোচনা করবো। 


 আমরা মোটামুটি সবাই জানি আমার যখনই ইউটিউব খুলি তখনই সাথে গুগোল  করে দিয়ে সেখানে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে এড গুলো আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে দিয়ে দেন ওখান থেকে কিছু ইনকাম আমাদের হয়। আজকে আমি এই বিষয়ে কোন কথা বলবো না গুগল এডসেন্স এর বিষয়ে আপনারা সবাই জানেন সেগুলো থেকে আপনারা একটা ধারণা নিতে পারবেন আজকে বলবো গুগল এডসেন্স ছাড়া কি কি ইনকাম কি কি উপায়ে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। 



মোটামুটি ভালো পরিমানে একটা সাবস্ক্রাইবার কিংবা ভিউয়ার্স আছে আপনার রেগুলার কিছু ভীউ আশা পূর্ণ ভিডিও দিলে সেখানে অন্তত ৫,৬ হাজার কিংবা ৪,৬ রেগুলার যদি আপনার 5000 থাকে কিংবা আপনার সাবসক্রাইবারকে কিংবা তার আশেপাশে যদি থাকে তাহলে আপনি স্পনসর্শিপ নিতে পারেন। সেখানে যদি আপনার চ্যানেল মনিটাইজেশন এনাবেল লাভ হয় অনেকের চ্যানেল আছে আবার অনেকে আমাকে মেসেজ করছে যে ভাই আমারতো এখনো মনিটাইজেশন এনাবেল হয় নি,

আমার সাবসক্রাইবার একচুয়ালি 1000 সাবস্ক্রাইবার এবং 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম ফিলাপ হয়ে গেলে মনিটাইজেশন দেয় না আবার কিছু কিছু কারণে মনিটাইজেশন বন্ধ করে দেয়। কিছু কিছু কারণে সেগুলো দেয় না, তো এখন পর্যন্ত ইনকাম করতে পারছে না তাদের জন্য। এটা অনেক বেশি ইফেক্টিভ তারাই স্পনসর্শিপ নিতে পারে। যারা স্পনসর্শিপ স্পন্সর করে বিভিন্ন কোম্পানি আছে বিভিন্ন প্রোডাক্ট আছে কোন অ্যাপস আছে তা রেস্পন্সিভ করে। আপনারা দেখেন বিভিন্ন পেইড ভিডিও আছে যারা প্রথমে একটা অ্যাপসের সার্ভার একটা অ্যাপস রেস্পন্সিভ প্রথমে বলে এই অ্যাপসটা এই কাজ করেই আপনার ডাউনলোড করে নিতে পারেন ডেসক্রিপশন লিংক দেওয়া আছে। আপনার এই যে ভিডিও গুলো দেখেন এগুলার ভিডিও অর্থাৎ এই ভিডিও যাকে বলে তো এভাবে আপনার স্পনসর্শিপ নিতে পারেন। ওরা একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে এমাউন্ট আপনাকে দেবে। আপনার যদি কোন প্রোডাক্ট আপনি রিভিউ করে দেন অর্থাৎ প্রোডাক্ট যদি আপনি প্রডাক্ট প্রমোট করে দেন তো তাদের হয় আপনাকে সেই প্রোডাক্টটা দেবে অথবা সেই প্রোডাক্ট অনুযায়ী কিছু ডলার বা কিছু টাকা আপনাকে পে করবে। তারাই স্পনসর্শিপ নিতে পারেন। 



দুই নাম্বার হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং এটা হয় একচুয়ালি  এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে বাট এখন বলব যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ফ্যাক্টরি এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে আপনার কোন প্রোডাক্ট সাপোজ আপনি অ্যাসিস্ট্যান্ট আমি ভিডিও করছি এসিস্টেন্ট দিয়ে ভিডিও করছি কিংবা আমার কোন একটা জিনিস ভিউয়ারদের অনেক পছন্দ সেখানে  ক্যামেরাটা কোথা থেকে কিনছি তো সেখান থেকে ডেসক্রিপশনে ওই লিঙ্ক টা দিয়ে দিতে পারবেন। ওই লিংকে ঢুকে যারা আপনার এই ক্যামেরাটা কিনবি সাপোজ আমি অ্যামাজন কিংবা ফ্লিপকার্টে আমি সেটার প্রডাক্ট প্রমোশন করে দেবো তো তারা একটা নির্দিষ্ট পার্সেন্টেজ দেয়, অর্থাৎ অ্যামাজন প্রোডাক্টের দাম 100 টাকা, ঠিক আছে তারা যদি 10% আপনাকে দেয় অর্থাৎ আপনার লিঙ্কে ঢুকে যদি তারা ওই প্রোডাক্টটা কিনে তাহলে আপনাকে 10% দেওয়া হবে এটা ডিপেন্ড করে প্রোডাক্ট এর উপরে কিংবা বিভিন্ন কোম্পানির উপরে। তো একটা পারসেন্টেন্স থাকে ওই লিংকে ঢুকে যখন সে ওই প্রোডাক্টটা কিনবেন তখন আপনি ওখান থেকে একটা পারসেন্টেন্স পাবেন। 100 টাকা হলে সার্ভিস 10% যদি আপনি পান তাহলে 10 টাকা পাবেন 100 টাকার প্রোডাক্ট এর দাম হলে 10 টাকা পাবেন এভাবে চলে আফিলিয়েট মারকেটিং। এটা আমি জাস্ট উপায়গুলো বলছি। তৃণমূল মার্চেন্ডাইজ অর্থাৎ আপনার চ্যানেল যদি একটা ব্র্যান্ড হয়ে যায় সবার কাছে অনেক পরিচিত হয়ে যায় অর্থাৎ আপনার হিউজ পরিমান একটা ভিউস চাই হিউজ পরিমান লাভার্স আছে তাহলে আপনি সেখানে মার্চেন্ডাইজ করতে পারেন। মার্চেন্ডাইজ বলতে হচ্ছে কেনাবেচা ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভিজিটর ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবার গুলো যেগুলো আপনি যদি আপনাকে সে ভালবাসে মানে অবশ্যই এখানে আপনার চ্যানেলটাকে ব্রান্ড হওয়া লাগবে। ব্র্যান্ড মনে হচ্ছে কি আপনাকে তারা ট্রাস্ট করবে ঠিক আছে তো তাহলে সেটা সত্যি।


ভালো হয় তখন আপনি ওখানে মার্চেন্ডাইজ করতে পারবেন। টি-শার্টগুলো সেখানে বিক্রি করতে পারেন। আপনি সাপোস আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে বৃহস্পতি বলতে পারেন যেখানে আপনারা কিনতে পারেন কিংবা ওয়েবসাইট এইখান থেকে আপনি ট্রান্সফার করে ওখানে নিয়ে যাচ্ছেন এভাবে আপনি ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারেন এছাড়া অনেক ভিডিও আছে ভিডিওতে অর্থাৎ  ইউটিউবে টেকনিক্যাল ভিডিও আপলোড করে তাদের এই টেকনিক্যাল ভিডিওতে ভিডিও কাজ করবে না অর্থাৎ আমাদের দেন আপনি যখন কোন মুভির নাম করে ইউটিউবে সার্চ দিবেন তখন দেখবেন মূভির ওইখানে একটা নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট আছে যে এই টাকাতে করা লাগবে করলে আপনি ওই মুভিটা দেখতে পাবেন তাছাড়া এই মুভিটা দেখতে পারে না শুধুমাত্র ট্রেইলারটি দেখতে পাবেন এগুলো হচ্ছে কিন্তু দেখেনা কেউ আবার পেড করে দিলে তো কেউ দেখবে না। সাপোজ কোন মুভি কিংবা এমন কোন ভিডিও যেটা মানুষকে মানুষের খুবই দরকার এবং অনেক বেশি প্রয়োজন কিংবা হচ্ছে অনেক বেশি অ্যাট্রাকশন অর্থাৎ কোন মুভিও কিংবা কোনো সংযোগ যেটা মানুষের চাহিদা অনেক বেশি তাহলে আপনিও এই ভিডিওটা পেইড করে দিতে পারেন। ইউটিউবে ওখান থেকে একটা ভালো ইনকাম করতে পারেন বাট এরকম কোয়ালিটির ভিডিও তৈরি করতে হবে।



 এবার হচ্ছে ডোনেশন  আপনি যখন কোন লাইভ ভিডিও করেন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের যখন কোন লাইভ ভিডিও তৈরি করার লাইভ করেন তখন অনেকে কিন্তু এখানে কমেন্ট করে ওইখানে যদি আপনার কথাগুলো অনেক বেশি হয় কিংবা আপনার কাছ থেকে তার অ্যানসার টা খুবই দরকার সে প্রশ্ন করছে সে আনসার টা খুব দরকার বাট আপনি সেই প্রশ্নটা পড়তেই পারছিনা এবং আপনি কিন্তু বেশি একটা কমেন্ট করতে পারবেন না ঠিক আছে চ্যাটিংয়ে বেশি আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন না বেশি সিক্সটিন বার বার করতে পারবে না। এইখানে হচ্ছে যদি স্বেচ্ছায় তাহলে সে আপনাকে কিছু ডোনেট করে আপনার কাছে যদি কোন প্রশ্ন করে সাপোস লাইভে কোন প্রশ্ন করলে সেটা হচ্ছে আমি লাইভে প্রথমে কিছুক্ষণ থাকবেন এটাই ডিপেন্ড করে যে আপনি কত ডলার দিচ্ছেন এবং ওই যে প্রশ্নটা ওই যে কমেন্টটা ওই চ্যাটিং এর উপরে কতক্ষণ থাকবে ওটা কিন্তু হাইলাইট হবে অনেকে কমেন্ট করছে বাট আপনি অনেক আগে কমেন্ট করতে হতো এক মিনিটের ডিউরেশন সেট করে দিলেন অর্থাৎ 1 মিনিটে ওই চ্যাটিং এর সামনে থাকবে ঠিক আছে চারটা থেকে যাবে। এভাবে আপনি টাকা পেয়ে করে আপনার কমেন্ট অথবা আপনার প্রশ্নটা যেসব ইউটিউবার আছে এখানে ইনকাম হচ্ছে ইউটিউবে করবেন লাইভে পে করবেন সেটা কে পাবে ঠিক আছে তো এটা অবশ্য তাকে অনেক বেশি ব্যয় হতে হবে আপনার এন্সার গুলো অনেক বেশি ভালো হবে তাহলে আপনাকে অবশ্যই কেউ সাইটে আপনার কাছে প্রশ্ন করবে টাকা করে ডলার করে। 



এরপর বিজনেস প্রমোশন কিংবা ওয়েবসাইট আপনি একটা চ্যানেল হচ্ছে বিজনেস প্রমোশন অর্থ হচ্ছে বিজনেস প্রমোশন অথবা ওয়েবসাইট প্রমোট করা অর্থাৎ আপনার একটা হিউজ পরিমান সাবস্ক্রাইবার আছে তার একটি চ্যানেল আছে যেখানে ইউজ করার সফটওয়্যার ইউজ করি বাট আপনি সেখানে একটা কাজ করতে পারে আপনি ব্লগিং করতে পারেন। সেখানে কি ইনকাম করা পসিবল ইভেন ইউটিউব থেকে ব্লগিংয়ের বেশি ইনকাম হয় এটা হয়তো বা না জেনে থাকবেন। যে আপনি ইউটিউবে যে ইনকাম করে নেটে যে সিপিসিটি আছে ব্লগসাইটে চ্যাট গুলো আছে সেগুলো সিপিসি অনেক বেশি হয়। সেখানে কি ইনকাম করা যায় তার একটা ওয়েবসাইট খুললেন কিন্তু তাকে আনতে হবে সেখানে বিভাস থাকলে থাকে আপনি যদি তাদের কাছে অনেক বেশি ট্রান্সলেশন আপনাকে যদি অনেকে বিশ্বাস করে তাহলে আপনি ওই যে ভিউয়ার গুলো আছে ওগুলো ট্রানস্ফার করে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারবেন ভিডিও মাঝখানে কি বলতে পারেন যে আমার একটা ওয়েবসাইট আছে সেখানে আমি এই কাজ করি আপনারা চাইলে সেখান থেকে ঘুরে আসতে পারেন। সেখানে দেখে আসতে পারেন আমার আইডি গুলো দেখে আসতে পারেন এই ভাবে চাইলেও আপনারা আপনাদের ওয়েবসাইটগুলো প্রমোট করতে পারে। অথবা বিজনেস প্রমোশন অর্থাৎ আপনার একটা কোম্পানি আছে ছোটখাট কোম্পানি কিংবা বড় কোম্পানি হোক সেখানে আপনি সেটা প্রমোট করতে পারে সে কোম্পানি টাকা দিতে পারেন। তারা একটা একটা নির্দিষ্ট পরিমান পে করবে বিজনেসে কিন্তু দরকার হচ্ছে অডিয়েন্স। অডিয়েন্স  কাস্টমার দরকার তো সেই কাস্টমার গুলো কিন্তু আপনাকে আনা লাগবে কয়টি উপায়ে মোটামুটি গুগল এডসেন্স ছাড়া আপনি ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন আপনার যদি মনিটাইজেশন এনাবেল নাও হয় তো আপনি এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন। 


তো আজকে এই পর্যন্ত  আমাদের সাথে থাকার জন্য সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।


খোদা হাফেজ!!! 


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url